চাকমা মিডিয়া ডেস্ক
আজ সিএডিসি দিবস। ১৯৭২ সালের ২৯ এপ্রিল ভারত সংবিধানের ৬ষ্ঠ সিডিউল অনুযায়ী চাকমা স্বায়ত্বশাসিত জেলাপরিষদ ইংরেজিতে যার নাম Chakma Autonomous District Council(CADC) গঠিত হয়। ৬৮৬.২৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ অঞ্চলটি মিজোরাম প্রদেশ গঠিত হওয়ার আগে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর শাসনামলে সেখানকার চাকমা জনজাতিদের রক্ষাকবচ স্বরূপ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সিএডিসি বর্তমানে সারা পৃথিবীতে অবস্থানরত চাকমাদের মধ্যে একমাত্র স্বশাসিত জেলাপরিষদ। এর হেডকোয়ার্টার বা প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় কমলানগরে অবস্থিত। বরপনছুরি হচ্ছে এর উপ-প্রশাসনিক কেন্দ্র। এর প্রশাসনিক কাঠামো পরিচালিত হয় মোট ২৪ জন জেলা পরিষদ সদস্য বা এম.ডি.সিদের নিয়ে গঠিত পরিষদের মাধ্যমে। এদের মধ্যে ২০ জন সদস্য ২০টি নির্বাচনী এলাকা বা কনস্টিটিউয়েন্সি থেকে সরাসরি নির্বাচিত এবং বাকী ৪ জন সরকার কর্তৃক মনোনয়ন করা হয়। পরিষদ প্রধানকে Chief Executive Member(CEM) এবং উপপ্রধানকে Executive Member(EM) বলা হয়। সিএডিসি ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানা ঘেঁষা একটি অঞ্চল। এর দক্ষিণে মায়ানমারের আরাকান প্রদেশ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলা।
সিএডিসি বর্তমানে মিজোরাম প্রদেশের লংট্লাই জেলার অন্তর্গত একটি অঞ্চল। মিজোরামের মোট চাকমা জনসংখ্যার অর্ধেক বাসিন্দা হচ্ছে সিএডিসির অধিবাসী যার সংখ্যা অর্ধলক্ষ প্রায়।
সিএডিসি চাকমাদের দ্বারা স্বশাসিত অঞ্চল হওয়া স্বত্তেও সেখানকার মিজোদের দ্বারা কুদৃষ্টিতে রয়েছে। শুধু তাই নয় সিএডিসির বাইরে বিভিন্ন জেলা, অরুনাচল প্রদেশ এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত চাকমারাসহ গোটা চাকমা জাতির ভাগ্যাকাশ আজ কালো মেঘে আচ্ছাদিত। এজন্য চাকমাদের বিশ্বঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যত প্রকার অন্তরায় থেকে মুক্তি লাভের শুভ প্রয়াস রাখা এই সময়ের যৌক্তিক দাবী।
আজ সিএডিসি দিবস। ১৯৭২ সালের ২৯ এপ্রিল ভারত সংবিধানের ৬ষ্ঠ সিডিউল অনুযায়ী চাকমা স্বায়ত্বশাসিত জেলাপরিষদ ইংরেজিতে যার নাম Chakma Autonomous District Council(CADC) গঠিত হয়। ৬৮৬.২৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ অঞ্চলটি মিজোরাম প্রদেশ গঠিত হওয়ার আগে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর শাসনামলে সেখানকার চাকমা জনজাতিদের রক্ষাকবচ স্বরূপ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সিএডিসি বর্তমানে সারা পৃথিবীতে অবস্থানরত চাকমাদের মধ্যে একমাত্র স্বশাসিত জেলাপরিষদ। এর হেডকোয়ার্টার বা প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় কমলানগরে অবস্থিত। বরপনছুরি হচ্ছে এর উপ-প্রশাসনিক কেন্দ্র। এর প্রশাসনিক কাঠামো পরিচালিত হয় মোট ২৪ জন জেলা পরিষদ সদস্য বা এম.ডি.সিদের নিয়ে গঠিত পরিষদের মাধ্যমে। এদের মধ্যে ২০ জন সদস্য ২০টি নির্বাচনী এলাকা বা কনস্টিটিউয়েন্সি থেকে সরাসরি নির্বাচিত এবং বাকী ৪ জন সরকার কর্তৃক মনোনয়ন করা হয়। পরিষদ প্রধানকে Chief Executive Member(CEM) এবং উপপ্রধানকে Executive Member(EM) বলা হয়। সিএডিসি ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানা ঘেঁষা একটি অঞ্চল। এর দক্ষিণে মায়ানমারের আরাকান প্রদেশ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলা।
সিএডিসি বর্তমানে মিজোরাম প্রদেশের লংট্লাই জেলার অন্তর্গত একটি অঞ্চল। মিজোরামের মোট চাকমা জনসংখ্যার অর্ধেক বাসিন্দা হচ্ছে সিএডিসির অধিবাসী যার সংখ্যা অর্ধলক্ষ প্রায়।
সিএডিসি চাকমাদের দ্বারা স্বশাসিত অঞ্চল হওয়া স্বত্তেও সেখানকার মিজোদের দ্বারা কুদৃষ্টিতে রয়েছে। শুধু তাই নয় সিএডিসির বাইরে বিভিন্ন জেলা, অরুনাচল প্রদেশ এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত চাকমারাসহ গোটা চাকমা জাতির ভাগ্যাকাশ আজ কালো মেঘে আচ্ছাদিত। এজন্য চাকমাদের বিশ্বঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যত প্রকার অন্তরায় থেকে মুক্তি লাভের শুভ প্রয়াস রাখা এই সময়ের যৌক্তিক দাবী।

No comments:
Post a Comment