চাকমা মিডিয়া ডেস্ক
কোমলমতি শিশুদের মননে
ধর্মীয় শ্রদ্ধাবোধ ও নৈতিক উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে ধর্মীয় শিক্ষা দানের কোন বিকল্প নেই। তারই
ধারাবাহিকতায় আসন্ন ত্রিস্মৃতি বিজড়িত(জন্ম, বুদ্ধত্বলাভ ও মহাপরিনির্বাণ) শুভ বৈশাখি
পুর্ণিমা(বুদ্ধ পুর্ণিমা) ২৫৬৩ উপলক্ষে পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ লংগদু উপজেলা
শাখার উদ্যোগে ১৬ মে অনুষ্ঠিত হল ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান। এতে বিভিন্ন
শ্রেণির অর্ধশতাধিক ছাত্র-ছাত্রি অংশগ্রহণ করেন। পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ লংগদু শাখার সভাপতি ও তরুণ সাংঘিক ব্যক্তিত্ব প্রভাষক সুগতলংকার থের এর দক্ষ নেতৃত্বে লংগদু
এলাকার বৌদ্ধধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম গতিশীলতা পেয়েছে। তাঁর এমন কার্যক্রম অব্যাহত
থাকুক এটাই কামনা। বর্তমান প্রজন্ম সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের অভাবে বিভিন্ন অপকর্মে
লিপ্ত হচ্ছে। যার দরুণ সামাজিক অবক্ষয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই ক্রান্তিলগ্নে ভিক্ষু সংঘের
এমন যুগোপযোগী মহান উদ্যোগ সত্যি প্রশংসার দাবিদার। এর ব্যাপকতা ছড়িয়ে পড়ুক পাহাড়েরর
আনাচে কানাচে।
প্রগতিশীল ও নীতিবোধসম্পন্ন
মানুষ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ধর্মীয় আচারাদি চর্চার অভ্যাস শিশুকাল থেকে দিতে হবে। তাতেই
মানবতাবোধ সম্পন্ন ভবিষ্যত প্রজন্ম বিনির্মাণ হতে পারে। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয়
শিক্ষার সমান গুরুত্ব রয়েছে। একজন ধর্মীয় অনুশাসনে অনুশাসিত ব্যক্তি সমাজের জন্য আলোকবর্তিকা
স্বরুপ। যিনি প্রকৃত ধার্মিক তিনিই প্রকৃত মানবতাবাদী। মানবতাবাদী মানুষ মাত্রেই সমাজ,
জাতি তথা দেশের কল্যাণে আত্মনিবেদিত প্রাণ। একজন কল্যাণ চিন্তক কখনও দূর্নীতিপরায়ণ
হতে পারেন না। প্রতিটি সমাজে কল্যাণ চিন্তক উৎপন্ন হোক এমন প্রত্যাশা সকলের।
প্রসঙ্গত,
ধর্মীয় পরিক্ষায় অংশগ্রহণকারি ছাত্র-ছাত্রীদের আগামী ১৭ মে ২০১৯ পুরস্কার বিতরণ করা
হবে।

No comments:
Post a Comment