চাকমা মিডিয়া ডেস্ক
তথাগত বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজড়িত পবিত্র শুভ বৈশাখি(বুদ্ধ)
পুর্ণিমাকে সামনে রেখে বিভিন্ন বিহারে নানাবিধ ধর্মীয় আয়োজন চলে। এরূপ একটি আয়োজন হল
গণপ্রব্রজ্যা অনুষ্ঠান। আজ ১৬ মে ২০১৯ রাঙামাটি সদরস্থ ভেদভেদি সংঘারাম বিহারে ৬০ জন
কুলপুত্রকে প্রবজ্যা প্রদানের মাধ্যমে
অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গণপ্রব্রজ্যা অনুষ্ঠান। ভিক্ষু সংঘের
উপস্থিতিতে সংঘারাম বিহারাধ্যক্ষ ও পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের কেন্দ্রিয় সভাপতি ভদন্ত শ্রদ্ধালংকার
মহাথেরর উপাধ্যায়াত্বে ষাট জন কুলপুত্রকে প্রব্রজ্যা ধর্মে দীক্ষিত করা হয়। অনুষ্ঠানে
সংঘের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রিয় সাধারণ সম্পাদক
ভদন্ত শুভদর্শী মহাথের, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ভদন্ত বুদ্ধদত্ত মহাথের, শিক্ষক
ভদন্ত ধর্মকীর্তি মহাথের, রাঙাপানি মিলন বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত শাসনাপ্রিয় মহাথের সহ অন্যান্যরা।
অনুষ্ঠানে ভদন্ত বুদ্ধদত্ত মহাথের প্রব্রজ্যার মাহাত্ম্য সম্পর্কে দেশনা প্রদান করেন।
এছাড়াও ভদন্ত শ্রদ্ধালংকার মহাথের, ভদন্ত শুভদর্শী মহাথের ও ভদন্ত শাসনাপ্রিয় মহাথের
ধর্ম দেশনা প্রদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে ভেদভেদি এলাকার দায়ক-দায়িকাদের স্বতস্ফুর্ত
অংশগ্রহণের মাধ্যমে এক অনাবিল সুখময় আবহ সৃষ্টি হয়।
বুদ্ধের মতে শাসনের উত্তরাধিকারী হতে হলে জীবনে অবশ্যই
প্রব্রজ্যা গ্রহণ করা এবং শাসনে কুলপুত্র দান করা আবশ্যক। সম্রাট অশোক চুরাশিহাজার
চৈত্য নির্মাণের পর বুদ্ধ শাসনে উত্তরাধিকার হয়েছেন কিনা তিনি তাঁর গুরু মোগ্গলিপুত্ত
তিস্সকে প্রশ্ন করলে গুরু বলেছিলেন শাসনে কুলপুত্র দান করলে তবে শাসনের উত্তরাধিকারী
হওয়া যায়। গুরুর কথা শুনে তিনি তাঁর পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সংঘমিত্রাকে শাসনে দান
করেছিলেন।

No comments:
Post a Comment