লিখেছেন : রেইং হাই ম্রো
বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও বিনীত অনুরোধ করছি
পার্বত্য চট্টগ্রাম তিন পার্বত্য জেলায় তথা বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলার পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে পর্যটকদের আসা-যাওয়া আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হোক!
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই বন্ধের সময়টাতে দেশের বিভিন্ন পর্যটনপ্রধান জেলাগুলোতে পর্যটক সমাগম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেড়েছে।
দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়ে গেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলাগুলোতেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ভয়ভীতি তৈরি হয়েছে অন্যেকের মধ্যে!! এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন, সুশীল সমাজ এবং তিন পার্বত্য জেলার নাগরিকদেরকে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম তিন পার্বত্য জেলার সকল সমাজকে একতাবদ্ধ হয়ে পাহাড়ের এলাকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধের দাবিতে প্রশাসনকে চাপ দিতে হবে। তা নাহলে করোনাভাইরাস আক্রমণে আমাদের সবাইকে অকালে প্রাণ হারাতে হবে।
আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে- পাহাড়ে মহামারী রোগের সঠিক চিকিৎসা করার মতো স্থানীয় হাসপাতাল গুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসার সামগ্রী বা যন্ত্রপাতি নেই। তাই পাহাড়ে বসবাসরত কোন ব্যক্তির উপর যদি মহামারী কোন রোগ আক্রমণ করলে তাকে দ্রুতভাবে ভালো চিকিৎসা দেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। সঠিক ও সময় মতো চিকিৎসা দিতে না পারলে তো রোগীকে নিশ্চিত অকালে প্রাণ হারাতে হবে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় অবস্থিত পর্যটন স্পট আশপাশের বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীদের উপর মহামারী রোগ আক্রমণ করলে দ্রুততার সাথেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াটাও সম্ভব হয় না।
সুতরাং, পাহাড়ের এলাকায় অবস্থিত পর্যটন স্পটগুলোতে ট্যুরিস্টদের আনাগোনা একেবারে নিষিদ্ধ করাটা সবার জন্য মঙ্গল হবে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই বন্ধের সময়টাতে দেশের বিভিন্ন পর্যটনপ্রধান জেলাগুলোতে পর্যটক সমাগম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেড়েছে।
দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়ে গেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলাগুলোতেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ভয়ভীতি তৈরি হয়েছে অন্যেকের মধ্যে!! এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন, সুশীল সমাজ এবং তিন পার্বত্য জেলার নাগরিকদেরকে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম তিন পার্বত্য জেলার সকল সমাজকে একতাবদ্ধ হয়ে পাহাড়ের এলাকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধের দাবিতে প্রশাসনকে চাপ দিতে হবে। তা নাহলে করোনাভাইরাস আক্রমণে আমাদের সবাইকে অকালে প্রাণ হারাতে হবে।
আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে- পাহাড়ে মহামারী রোগের সঠিক চিকিৎসা করার মতো স্থানীয় হাসপাতাল গুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসার সামগ্রী বা যন্ত্রপাতি নেই। তাই পাহাড়ে বসবাসরত কোন ব্যক্তির উপর যদি মহামারী কোন রোগ আক্রমণ করলে তাকে দ্রুতভাবে ভালো চিকিৎসা দেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। সঠিক ও সময় মতো চিকিৎসা দিতে না পারলে তো রোগীকে নিশ্চিত অকালে প্রাণ হারাতে হবে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় অবস্থিত পর্যটন স্পট আশপাশের বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীদের উপর মহামারী রোগ আক্রমণ করলে দ্রুততার সাথেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াটাও সম্ভব হয় না।
সুতরাং, পাহাড়ের এলাকায় অবস্থিত পর্যটন স্পটগুলোতে ট্যুরিস্টদের আনাগোনা একেবারে নিষিদ্ধ করাটা সবার জন্য মঙ্গল হবে।
করোনাভাইরাস!!
করোনাভাইরাস এখন বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশেও ৮জন ব্যক্তি করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে সনাক্ত করেছে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিশেষ করে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের থেকে এই ভাইরাসটি বাংলাদেশে ছড়িয়েছে। প্রবাসীদেরকে দেশে ফিরে আসার বন্ধ করা হলে দেশে সবাই করোনাভাইরাস হইতে রক্ষা পেতে পারে!!
এখন শুধু ঢাকা শহরে নয়,, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলাসহ বিভিন্ন জেলা গুলোতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে যা কয়েকজনকে সনাক্ত করা হয়েছে।
পাহাড়ি অঞ্চল গুলোতে যদি করোনাভাইরাস একবার ছড়িয়ে পড়ে- তাইলে প্রত্যেকটা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরদেকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে হবে। কেননা পাহাড়ে নেই কোনো হাসপাতাল, নেই কোন চিকিৎসা সামগ্রী, নেই কোনো ভালো ডাক্তার। বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলা গুলোতে হাসপাতাল থাকলেও নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী, নেই অভিজ্ঞ ডাক্তার, নেই গুরুত্বপূর্ণ মেডিসিন। তাছাড়া গভীর অরণ্যে বাস করা আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা হাসপাতালের দেখা মেলে না! হঠাৎ করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হলে স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে আসা-যাওয়াটা মুহূর্তে সম্ভব হয় না। কেননা গ্রাম গুলো অনেক দূর এবং সরু পথ দিয়ে রোগীকে কাধে কিংবা ঝুড়িতে ভরে এবং কম্বল পিচিয়ে লাশকে মতো একজন জীবিত ব্যক্তিকে বহন করে আনাটাও খুবই কষ্টের বিষয়।
ধরেন কোনো রকম রোগীকে কাধে বহন করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলোঃ কিন্তু ভালো ও উন্নত চিকিৎসা করার জন্য টাকা কোথায় পাবো। কারণ আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা অত্যন্ত গরীব। ক্ষেতে খাওয়ার মানুষ, ক্ষেতে যাওয়ার মানুষ। দিনের ইনকাম দিনে খাওয়া হয়। আয় উপার্জন করার মতো তাদের পথ নেই। আত্মকর্মসংস্থান বলতে তাদের একমাত্র জুম চাষের উপর নির্ভরশীল। জুমে যা উৎপাদন হয় তাই খেয়ে কোন রকম জীবনযাপন করেন।
হঠাৎ করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হলে উন্নতি চিকিৎসা করার জন্য আর্থিকভাবে সমস্যা দেখা দেবে। তখন কি হবে তাদের? নিশ্চয়ই অকালে মারা যেতে হবে নিরীহ মানুষ গুলো!!
সমতল থেকে পাহাড়ে বেড়াতে আসা ব্যক্তিদের থেকে ছড়াতে পারে এই মহামারী করোনাভাইরাস রোগ। ইতিমধ্যে তিন পার্বত্য জেলায় ছড়িয়ে গেছে করোনাভাইরাস। এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন কয়েকজন ব্যক্তি।
আদিবাসীদের মধ্যে কারো যদি করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হলে আরেকটা বুঝা বহন করতে হবেঃ
যেমন-
পাহাড়িরা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খাই অর্থাৎ নোংরা পরিবেশে খাবার খায় ইত্যাদি ইত্যাদি।
পাহাড়িরা যদি করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়, তাহলে বাংগালীরা বলে বেড়াবে- পাহাড়িরা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খাই। তাদের করোনাভাইরাস হবে নাতো কাদের হবে? চীনারা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খাই, তাই তাদের উপর করোনাভাইরাস আক্রমণ করেছে বলে সবার মন্তব্য।
কিন্তু, না! পাহাড়িরা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খেয়ে কখনো কোনো রোগে আক্রান্ত হয় না! বাংলাদেশে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা যুগ যুগ ধরে সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খেয়ে আসছে। কোনদিন শোনা যায়নি যে, বাংলাদেশের মানুষ গুলো পাহাড়িদের কারণে করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
বিশেষ করে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের থেকে এই ভাইরাসটি বাংলাদেশে ছড়িয়েছে। প্রবাসীদেরকে দেশে ফিরে আসার বন্ধ করা হলে দেশে সবাই করোনাভাইরাস হইতে রক্ষা পেতে পারে!!
এখন শুধু ঢাকা শহরে নয়,, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলাসহ বিভিন্ন জেলা গুলোতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে যা কয়েকজনকে সনাক্ত করা হয়েছে।
পাহাড়ি অঞ্চল গুলোতে যদি করোনাভাইরাস একবার ছড়িয়ে পড়ে- তাইলে প্রত্যেকটা পাহাড়ি জনগোষ্ঠীরদেকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে হবে। কেননা পাহাড়ে নেই কোনো হাসপাতাল, নেই কোন চিকিৎসা সামগ্রী, নেই কোনো ভালো ডাক্তার। বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলা গুলোতে হাসপাতাল থাকলেও নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা সামগ্রী, নেই অভিজ্ঞ ডাক্তার, নেই গুরুত্বপূর্ণ মেডিসিন। তাছাড়া গভীর অরণ্যে বাস করা আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা হাসপাতালের দেখা মেলে না! হঠাৎ করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হলে স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে আসা-যাওয়াটা মুহূর্তে সম্ভব হয় না। কেননা গ্রাম গুলো অনেক দূর এবং সরু পথ দিয়ে রোগীকে কাধে কিংবা ঝুড়িতে ভরে এবং কম্বল পিচিয়ে লাশকে মতো একজন জীবিত ব্যক্তিকে বহন করে আনাটাও খুবই কষ্টের বিষয়।
ধরেন কোনো রকম রোগীকে কাধে বহন করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলোঃ কিন্তু ভালো ও উন্নত চিকিৎসা করার জন্য টাকা কোথায় পাবো। কারণ আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা অত্যন্ত গরীব। ক্ষেতে খাওয়ার মানুষ, ক্ষেতে যাওয়ার মানুষ। দিনের ইনকাম দিনে খাওয়া হয়। আয় উপার্জন করার মতো তাদের পথ নেই। আত্মকর্মসংস্থান বলতে তাদের একমাত্র জুম চাষের উপর নির্ভরশীল। জুমে যা উৎপাদন হয় তাই খেয়ে কোন রকম জীবনযাপন করেন।
হঠাৎ করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হলে উন্নতি চিকিৎসা করার জন্য আর্থিকভাবে সমস্যা দেখা দেবে। তখন কি হবে তাদের? নিশ্চয়ই অকালে মারা যেতে হবে নিরীহ মানুষ গুলো!!
সমতল থেকে পাহাড়ে বেড়াতে আসা ব্যক্তিদের থেকে ছড়াতে পারে এই মহামারী করোনাভাইরাস রোগ। ইতিমধ্যে তিন পার্বত্য জেলায় ছড়িয়ে গেছে করোনাভাইরাস। এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন কয়েকজন ব্যক্তি।
আদিবাসীদের মধ্যে কারো যদি করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হলে আরেকটা বুঝা বহন করতে হবেঃ
যেমন-
পাহাড়িরা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খাই অর্থাৎ নোংরা পরিবেশে খাবার খায় ইত্যাদি ইত্যাদি।
পাহাড়িরা যদি করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়, তাহলে বাংগালীরা বলে বেড়াবে- পাহাড়িরা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খাই। তাদের করোনাভাইরাস হবে নাতো কাদের হবে? চীনারা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খাই, তাই তাদের উপর করোনাভাইরাস আক্রমণ করেছে বলে সবার মন্তব্য।
কিন্তু, না! পাহাড়িরা সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খেয়ে কখনো কোনো রোগে আক্রান্ত হয় না! বাংলাদেশে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা যুগ যুগ ধরে সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, কুকুর, শূকর, বিড়াল পশু-পাখি ইত্যাদি মাংস খেয়ে আসছে। কোনদিন শোনা যায়নি যে, বাংলাদেশের মানুষ গুলো পাহাড়িদের কারণে করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
দীপনা চাকমা দীপু দিদি এর সংক্ষেপে পোস্টটি এখানে তুলে ধরা হলোঃ
স্কুল কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবেন যে ঐ ছাত্র/ছাত্রীরা লম্বা ছুটি পেয়ে পাহাড় ভ্রমণে আসবে না? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা হল রুমে তো বিদেশ ফেরত একজন আটক হয়েছিল শিক্ষার্থীদের হাতে। যে বন্ধু বান্ধব নিয়ে সাজেক ভ্রমণের জন্য ঐ হলে অবস্থান করছিল। জাতি- ধর্ম, বর্ণ, দেশ-বিদেশ নির্বেশেষে যেখানে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে সে জায়গায় সমতল থেকে পাহাড় ভ্রমণে আসা কিছু নিকৃষ্ট অমানুষ আদিবাসীদেরকে দেখলে নাকি করোনা করোনা বলে চেঁচাচ্ছে। এটা কেমন শিক্ষা??? হ্যাঁ, আমরা চাইনিজ,জাপানিদের মতো সাপ, ব্যাঙ খাই। কিন্তু আমাদের আদিবাসীদের কি করোনায় ধরেছে? নাকি সাপ, ব্যাঙ খেলে করোনা হয়?
পাহাড় থেকে সমতলে যাওয়া আদিবাসীরা বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ বাঙ্গালাীদের কর্তৃক হেয় আচরণের শিকার হয়। যা আমার ফেসবুক বন্ধুদের মাধ্যমে জানতে পারি। নাকবুচা দেখলে নাকি চুং চ্যাং চাং বলে টিটকারি মারা হয়।সেটা না হয় তাঁদের এলাকা তাই এতো জোর পায়। কিন্তু অধিকারটা পায় কি করে?
সেই নিচু স্বভাবের অমানুষগুলো তাঁদের নিকৃষ্ট আচরণ সমতল ছাড়িয়ে পাহাড়ে এসে পাহাড়ি আদিবাসীদের ওপরও প্রয়োগ করতে শুরু করেছে ?? এরা এতো সাহস কোথা থেকে পায়?
ওদের পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি কোন সুশিক্ষা দেয় না?
ওরাই করোনা ভাইরাস বহন করে পাহাড়ে নিয়ে এসে ছড়িয়ে দেবে আর উল্টো আদিবাসীদের দেখলে করোনা করোনা বলে চেঁচাবে তা কি করে হয়?
অবিলম্বে পাহাড় ভ্রমণ বন্ধ করা হোক।
হঠাৎ চীনের মানুষ গুলো করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাদের খাবারের উপর দোষ চাপাচ্ছে আবার মুসলমান জাতিদের মন্তব্য- মুসলমানদেরকে অত্যাচার করার কারণে নাকি চীনাদের উপর আল্লাহর গজব পড়েছে। তাই চীনারা করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে!!
স্কুল কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবেন যে ঐ ছাত্র/ছাত্রীরা লম্বা ছুটি পেয়ে পাহাড় ভ্রমণে আসবে না? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা হল রুমে তো বিদেশ ফেরত একজন আটক হয়েছিল শিক্ষার্থীদের হাতে। যে বন্ধু বান্ধব নিয়ে সাজেক ভ্রমণের জন্য ঐ হলে অবস্থান করছিল। জাতি- ধর্ম, বর্ণ, দেশ-বিদেশ নির্বেশেষে যেখানে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে সে জায়গায় সমতল থেকে পাহাড় ভ্রমণে আসা কিছু নিকৃষ্ট অমানুষ আদিবাসীদেরকে দেখলে নাকি করোনা করোনা বলে চেঁচাচ্ছে। এটা কেমন শিক্ষা??? হ্যাঁ, আমরা চাইনিজ,জাপানিদের মতো সাপ, ব্যাঙ খাই। কিন্তু আমাদের আদিবাসীদের কি করোনায় ধরেছে? নাকি সাপ, ব্যাঙ খেলে করোনা হয়?
পাহাড় থেকে সমতলে যাওয়া আদিবাসীরা বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ বাঙ্গালাীদের কর্তৃক হেয় আচরণের শিকার হয়। যা আমার ফেসবুক বন্ধুদের মাধ্যমে জানতে পারি। নাকবুচা দেখলে নাকি চুং চ্যাং চাং বলে টিটকারি মারা হয়।সেটা না হয় তাঁদের এলাকা তাই এতো জোর পায়। কিন্তু অধিকারটা পায় কি করে?
সেই নিচু স্বভাবের অমানুষগুলো তাঁদের নিকৃষ্ট আচরণ সমতল ছাড়িয়ে পাহাড়ে এসে পাহাড়ি আদিবাসীদের ওপরও প্রয়োগ করতে শুরু করেছে ?? এরা এতো সাহস কোথা থেকে পায়?
ওদের পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি কোন সুশিক্ষা দেয় না?
ওরাই করোনা ভাইরাস বহন করে পাহাড়ে নিয়ে এসে ছড়িয়ে দেবে আর উল্টো আদিবাসীদের দেখলে করোনা করোনা বলে চেঁচাবে তা কি করে হয়?
অবিলম্বে পাহাড় ভ্রমণ বন্ধ করা হোক।
হঠাৎ চীনের মানুষ গুলো করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাদের খাবারের উপর দোষ চাপাচ্ছে আবার মুসলমান জাতিদের মন্তব্য- মুসলমানদেরকে অত্যাচার করার কারণে নাকি চীনাদের উপর আল্লাহর গজব পড়েছে। তাই চীনারা করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে!!
DBC NEWS24 প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হলোঃ
বাংলাদেশে নতুন ৩ জনসহ করোনায় আক্রান্ত ৮ জন
সোমবার, ১৬ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৫১
বাংলাদেশে নতুন ৩ জনসহ করোনায় আক্রান্ত ৮ জন
সোমবার, ১৬ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৫১
বাংলাদেশে নতুন ৩ জনসহ করোনায় আক্রান্ত ৮ জন
দেশে নতুন করে ৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে আক্রান্ত হলেন মোট আটজন; আইইডিসিআর।
আজ সোমবার (১৬ই মার্চ), এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। এসময় তিনি আরও জানান, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন মহিলা। তাদের নমুনা পরীক্ষার পর করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। নতুন শনাক্ত হওয়া দুই শিশুসহ তিনজনই বিদেশ ফেরত করোনাভাইরাস আক্রান্ত একজনের পরিবারের সদস্য। হাসপাতালে শনাক্ত হওয়া পাঁচজন চিকিৎসা নিচ্ছেন এখন। এছাড়া, দুজন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
আইইডিসিআর পরিচালক আরও জানান, আইসোলেশনে আছেন ১০ জন। আর, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৪ জন। হোম কোয়ারেন্টিন মেনে না চললে শাস্তি হিসেবে জরিমানা করা হবে। জরুরী প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগের মাধ্যমে বের হতে পারবেন। আইইডিসিআর এ কেউ আসলে আর কোন নমুনা সংগ্রহ করা হবেনা। হটলাইনে যোগাযোগ করলে নমুনা সংগ্রহের জন্য টিম ব্যক্তির বাসায় টিম পাঠানো হবে।
সেব্রিনা ফ্লোরা আরও বলেন, সব ধরনের সমাবেশ বন্ধ রাখার নির্দেশনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া হয়েছে। আগে এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছিলো। এছাড়া, ইউরোপের সব দেশ থেকেই বাংলাদেশে না আসার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। তাই দেশের বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের আরও বেশি সাবধান, সতর্ক করতে হবে।
এদিকে, করোনাভাইরাসের কারণে ১৮ই মার্চ থেকে আগামী ৩১শে মার্চ পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার (১৬ই মার্চ) সকালে, মন্ত্রীসভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর কিছুক্ষণ আগে, আগামী ১৮-২৮শে মার্চ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সব ক্লাস-পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ হাজার ৫১৮ জন। রবিবার আরও মারা গেছে প্রায় ৭শ' জন। বিশ্বের ১৫৭ দেশ ও অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার।
আজ সোমবার (১৬ই মার্চ), এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। এসময় তিনি আরও জানান, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন মহিলা। তাদের নমুনা পরীক্ষার পর করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। নতুন শনাক্ত হওয়া দুই শিশুসহ তিনজনই বিদেশ ফেরত করোনাভাইরাস আক্রান্ত একজনের পরিবারের সদস্য। হাসপাতালে শনাক্ত হওয়া পাঁচজন চিকিৎসা নিচ্ছেন এখন। এছাড়া, দুজন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
আইইডিসিআর পরিচালক আরও জানান, আইসোলেশনে আছেন ১০ জন। আর, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৪ জন। হোম কোয়ারেন্টিন মেনে না চললে শাস্তি হিসেবে জরিমানা করা হবে। জরুরী প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগের মাধ্যমে বের হতে পারবেন। আইইডিসিআর এ কেউ আসলে আর কোন নমুনা সংগ্রহ করা হবেনা। হটলাইনে যোগাযোগ করলে নমুনা সংগ্রহের জন্য টিম ব্যক্তির বাসায় টিম পাঠানো হবে।
সেব্রিনা ফ্লোরা আরও বলেন, সব ধরনের সমাবেশ বন্ধ রাখার নির্দেশনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া হয়েছে। আগে এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছিলো। এছাড়া, ইউরোপের সব দেশ থেকেই বাংলাদেশে না আসার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। তাই দেশের বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের আরও বেশি সাবধান, সতর্ক করতে হবে।
এদিকে, করোনাভাইরাসের কারণে ১৮ই মার্চ থেকে আগামী ৩১শে মার্চ পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার (১৬ই মার্চ) সকালে, মন্ত্রীসভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর কিছুক্ষণ আগে, আগামী ১৮-২৮শে মার্চ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সব ক্লাস-পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ হাজার ৫১৮ জন। রবিবার আরও মারা গেছে প্রায় ৭শ' জন। বিশ্বের ১৫৭ দেশ ও অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার।
এখন মূল কথা ও বিশেষ অনুরোধ হলোঃ
পাহাড়ের এলাকায় অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের আসা-যাওয়া একেবারে নিষিদ্ধ করা হোক। পর্যটকদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে পাহাড়ের এলাকায়। পাহাড়ের এলাকায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়া মানে পাহাড়ের বসবাসরত মানুষ গুলোকে বিনা দোষে হত্যা করা সমান।
পাহাড়ে বাহির হতে আসা পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধ করা হোক। কারণ ওদিকে করোনার অনুপ্রবেশ ঘটলে দক্ষ জনবল ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে সুচিকিৎসা মিলবেনা পাহাড়ীদের। তার উপর একবার কোনও পাহাড়ী আক্রান্ত হলে উগ্র জাতীয়তাবাদীরা তাদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। সময় থাকতে ব্যবস্থা নেয়া উচিত, অন্তত সামাজিকভাবে হলেও।
তাই, তিন পার্বত্য জেলা তথা বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলার প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন, পাহাড়ের এলাকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে বাহির বা সমতল হতে আসা পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধ করা হোক।
করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে পারলে পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের আসা-যাওয়া কেন বন্ধ করতে পারবেন না।
কারণ মহামারী করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ অসময়ে মরতে চাই না! সবাই তো চাই রোগমুক্ত হয়ে বেঁচে থাকতে!!
আপনি আমি সবাই চাই করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাক!!
করোনাভাইরাস নিপাত যাক, পৃথিবীর সকল মানব জাতি করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাক।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন সবসময়ই!!
সবাই সতর্কতা অবলম্বন করুন, করোনাভাইরাস হইতে নিজেকে নিরাপদে রাখুন। নিয়মিত গোসল ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করুন।
আমার সংক্ষেপে পোস্টটি এখানে সমাপ্ত করছি!!
সবাইকে ধন্যবাদ এবং তিন পার্বত্য জেলার প্রশাসনের নিকট বিনীত অনুরোধ
পাহাড়ে বাহির হতে আসা পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধ করা হোক। কারণ ওদিকে করোনার অনুপ্রবেশ ঘটলে দক্ষ জনবল ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে সুচিকিৎসা মিলবেনা পাহাড়ীদের। তার উপর একবার কোনও পাহাড়ী আক্রান্ত হলে উগ্র জাতীয়তাবাদীরা তাদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। সময় থাকতে ব্যবস্থা নেয়া উচিত, অন্তত সামাজিকভাবে হলেও।
তাই, তিন পার্বত্য জেলা তথা বান্দরবান, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি জেলার প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন, পাহাড়ের এলাকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে বাহির বা সমতল হতে আসা পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধ করা হোক।
করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে পারলে পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের আসা-যাওয়া কেন বন্ধ করতে পারবেন না।
কারণ মহামারী করোনাভাইরাস রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ অসময়ে মরতে চাই না! সবাই তো চাই রোগমুক্ত হয়ে বেঁচে থাকতে!!
আপনি আমি সবাই চাই করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাক!!
করোনাভাইরাস নিপাত যাক, পৃথিবীর সকল মানব জাতি করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাক।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন সবসময়ই!!
সবাই সতর্কতা অবলম্বন করুন, করোনাভাইরাস হইতে নিজেকে নিরাপদে রাখুন। নিয়মিত গোসল ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করুন।
আমার সংক্ষেপে পোস্টটি এখানে সমাপ্ত করছি!!
সবাইকে ধন্যবাদ এবং তিন পার্বত্য জেলার প্রশাসনের নিকট বিনীত অনুরোধ
পাহাড়ের এলাকায় অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ট্যুরিস্টদের আসা-যাওয়া নিষিদ্ধ করা হোক জোর দাবী জানাচ্ছি।।
বিদ্রঃ জনস্বার্থের উপকারের জন্য আমার এই সংক্ষেপে পোস্ট!! আমার এই পোস্টটির দ্বারা কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে আমায় ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
বিদ্রঃ জনস্বার্থের উপকারের জন্য আমার এই সংক্ষেপে পোস্ট!! আমার এই পোস্টটির দ্বারা কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে আমায় ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।


No comments:
Post a Comment