![]() |
| উ পঞ্ঞাজোত মহাথের |
চাকমা মিডিয়া ডেস্ক
১৩ এপ্রিল ২০২০, সোমাবার
ভদন্ত উ পঞ্ঞাজোত মহাথের(উ চ হ্ণা ভান্তে) আর নেই। আজ ১৩-০৪-২০২০ তারিখ, সোমবার, দুপুর ১.৩০ টায় চট্টগ্রামস্থ ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দি ওয়ার্ল্ড বুদ্ধ শাসন সেবক সংঘের প্রতিষ্টাতা এবং শোয়েয়াংগ্য গইং বাংলাদেশ এর সর্বোচ্চ গুরু, খিয়ং ওয়া কিয়ং রাজবিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ উ পঞ্ঞা জোত মহাথের (উ চ হ্লা ভান্তে) ৬৫ বছর বয়সে (১৯৫৫-২০২০) মহাপ্রয়াণ লাভ করেছেন।
উল্লেখ্য, ভদন্ত উ পঞঞা জোত মহাথের গত শুক্রবার ১০ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি হন। ডাক্তারী ভাষায় যাকে বলে কার্ডিয়াক এরেস্ট। চিকিৎসকদের ঐকান্তিক চেষ্টা স্বত্ত্বেও অবস্থা জটিল আকার ধারণ করলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। আজ বেলা ১.৩০ টায় তার লাইফ সাপোর্ট খোলা হয়।
এদিকে তার মৃত্যুর খবরে তিন পার্বত্য জেলাসহ দেশ বিদেশের ভক্ত অনুরাগীদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। তাঁর মহাপ্রয়ানে পার্বত্য বৌদ্ধ জাতি একজন দক্ষ অভিভাবককে হারাল।
উ পঞ্ঞাজোত মহাথের ১৯৫৫ সালের ২২ ডিসেম্বর বান্দরবান বোমাং রাজ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল. বি(অনার্স), ১৯৮২ সালে এল.এল.এম এবং ১৯৮৩ সালে বি.সি.এস পাশ করেন। শিক্ষা জীবন শেষে তিনি সিনিয়র সহকারী জজ হিসেবে যোগদান করেন, এ পেশায় তিন ১২ বছর ছিলেন।
পরে ১৯৯৫ সালে জজ পেশা হতে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়ে গৃহত্যাগ পূর্বক চিংম্রং বৌদ্ধবিহারাধ্যক্ষ্য উ পন্ডিতা মহাথেরর নিকট প্রব্রজ্যা ধর্মে দীক্ষা নেন। ছয় মাস শ্রামন্য শিক্ষা গ্রহণের পর পবিত্র মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে উপসম্পদা লাভে করেন।
ভিক্ষুত্ব জীবনে তিনি থেমে থাকেননি মহান উদ্যম নিয়ে সদ্ধর্ম সেবাব্রত পালনসহ সদ্ধর্ম উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন। একে একে তিনে গড়ে তোলেন স্বর্ণজাদি, রামজাদি, জীনমারজয়ী জাদি, ক্যংমলংজাদিসহ মায়ানমার ও ভারতে মনোরম বৌদ্ধ বিহার। এছাড়াও বি হ্যাপি লার্নিং সেন্টার নামে একটি অনাথ আশ্রম গড়ে তুলেছেন।

No comments:
Post a Comment